মৃত্যুর পর জান্নাত পেতে হলে কি করনীয়?
মৃত্যুর পর জান্নাত লাভ করা এই বিষয়টি এত ব্যাপক যে, অল্প কথায় বা এক পৃষ্টা দুই পৃষ্টা লিখে শেষ করা যাবে না। ইহা একজন মানুষের সারা জীবনের সাধনার পুরস্কার। তার পরেও অল্প কথায় আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিপালনের জন্য সহজ কিছু কাজ এখানে সন্নিবেশিত করা হলো। এই বিষয়ের উপর হযরত ইমাম গাজ্জালী রঃ তাঁর “এহিয়াউল উলুমুদ্দীন” ও কিমিয়ায়ে সায়াদাত এবং মিনহাজুল আবেদীন গ্রন্থে বিশদভাবে বর্ননা করেছেন।
হযরত রাসূলে করীম দঃ বলেছেন, আমি কি তোমাদের নিকট জান্নাতের সর্বাপেক্ষা মর্যাদাসম্পন্ন দলের কথা ( তাদের পরিচয়) বলব? সাহাবীগণ আরয করলেনঃ নিশ্চয়ই ইয়া রাসূলুল্লাহ! অতঃপর তিনি বললেনঃ আমার উম্মতের আলিমগন। তাই হাদীস শরীফে বলা হয়েছে “ জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ফরজ” বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করেন,
أَفَمَن شَرَحَ اللَّهُ صَدْرَهُ لِلْإِسْلَامِ فَهُوَ عَلَىٰ نُورٍ مِّن رَّبِّهِ ۚ فَوَيْلٌ لِّلْقَاسِيَةِ قُلُوبُهُم مِّن ذِكْرِ اللَّهِ ۚ أُولَٰئِكَ فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ [٣٩:٢٢]
আল্লাহ যার বক্ষ ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দিয়েছেন, অতঃপর সে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত আলোর মাঝে রয়েছে। (সে কি তার সমান, যে এরূপ নয়) যাদের অন্তর আল্লাহ স্মরণের ব্যাপারে কঠোর, তাদের জন্যে দূর্ভোগ। তারা সুস্পষ্ঠ গোমরাহীতে রয়েছে। -সূরা যুমার ৩৯ঃ২২
আল্লাহ পাক অন্যত্র বলেছেনঃ
إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي ظِلَالٍ وَعُيُونٍ [٧٧:٤١]
নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে ছায়ায় এবং প্রস্রবণসমূহে- সূরা মুরসালাত ৭৭ঃ৪১
আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের পরিচয় দিয়ে আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে বলেছেনঃ
وَعِبَادُ الرَّحْمَٰنِ الَّذِينَ يَمْشُونَ عَلَى الْأَرْضِ هَوْنًا وَإِذَا خَاطَبَهُمُ الْجَاهِلُونَ قَالُوا سَلَامًا [٢٥:٦٣]
وَالَّذِينَ يَبِيتُونَ لِرَبِّهِمْ سُجَّدًا وَقِيَامًا [٢٥:٦٤]
وَالَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ ۖ إِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا [٢٥:٦٥]
রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।
এবং যারা রাত্রি যাপন করে পালনকর্তার উদ্দেশ্যে সেজদাবনত হয়ে ও দন্ডায়মান হয়ে;
এবং যারা বলে, হে আমার পালনকর্তা, আমাদের কাছথেকে জাহান্নামের শাস্তি হটিয়ে দাও। নিশ্চয় এর শাস্তি নিশ্চিত বিনাশ; -সূরা ফোরকান ২৫ঃ ৬৩-৬৫
আল্লাহ পাক অন্যত্র বলেছেনঃ
আমি পরকালের গৃহ তাদের জন্য নির্দিষ্ট করে রেখেছি যারা ভুপৃষ্টে শ্রেষ্টত্ব কামনা করে না এবং অনর্থ সৃষ্টি করতে চায় না। “
ঈমানদারদের পরিচয় দিতে গিয়া আল্লাহ পাক অন্যত্র বলেছেনঃ
إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ اللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ آيَاتُهُ زَادَتْهُمْ إِيمَانًا وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ [٨:٢]
الَّذِينَ يُقِيمُونَ الصَّلَاةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنفِقُونَ [٨:٣]
أُولَٰئِكَ هُمُ الْمُؤْمِنُونَ حَقًّا ۚ لَّهُمْ دَرَجَاتٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَمَغْفِرَةٌ وَرِزْقٌ كَرِيمٌ [٨:٤]
যারা ঈমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কালাম, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায় এবং তারা স্বীয় পরওয়ার দেগারের প্রতি ভরসা পোষণ করে।
সে সমস্ত লোক যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি তাদেরকে যে রুযী দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে।
তারাই হল সত্যিকার ঈমানদার! তাদের জন্য রয়েছে স্বীয় পরওয়ারদেগারের নিকট মর্যাদা, ক্ষমা এবং সম্মানজনক রুযী। সূরা আনফাল ৮ঃ২-৪
সুতরাং মুমিনের চরিত্রের বৈশিষ্টঃ
১। আল্লাহর ভয়,
২। ঈমানের উন্নতি
৩। আল্লাহর প্রতি ভরসা,
৪। নামায প্রতিষ্ঠা,
৫। আল্লাহর পথে ব্যয়।
আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের ১৩ টি গুণঃ
১। বান্দা ( দাস)
২। তারা পৃথিবীতে নম্রতা সহকারে চলাফেরা করে।
৩। যখন অজ্ঞ লোকের তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে, তখন তাঁরা বলে , ‘সালাম’।
৪। তাঁরা নামায পড়ে, সেজদা করে, রাত্রী যাপন করে ইবাদতে।
৫। তাঁরা সর্বদা আল্লাহকে ভয় করে, আখেরাতের চিন্তায় থাকে চেষ্টা করে।
৬। তাঁরা ব্যয় করে সঠিক পথে , কৃপণতা করে না।
৭। তাঁরা ইবাদতে আল্লাহর সাথে আর কাউকে শরীক করে না।
৮। তাঁরা হত্যা করে না
৯। তাঁরা ব্যভিচার করে না।
১০। তাঁরা মিথ্যা ও বাতিল মজলিশে যোগদান করে না।
১১। তাঁরা অসার ক্রিয়াকর্মের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ভদ্রভাবে চলে যায়।
১২। তাঁদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করে, অন্ধ ও বধিরদের ন্যায় শ্রবণ করে না।
১৩। এবং তাঁরা বলে, হে আমাদের রব, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরুপ করুন।
ঈমান ও আমল সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত হাদীসঃ
(২২৯) হযরত ওমর ইবনে খাত্তাব রঃ বলেন, আমরা একদিন রাসুলুল্লাহ দঃ এর নিকট বসে ছিলাম। হঠাত একটি লোক আমাদের কাছে এল। তার পরনে ধবধবে সাদা কাপড় ও তার চুল কুচকুচে কাল ছিল। (বাহ্যতঃ) সফরের কোন চিহ্ন তার উপর দেখা যাচ্ছিল না এবং আমাদের মধ্যে কেউ তাকে চিনছিলাম না। শেষ পর্যন্ত সে নবী সাঃ এর কাছে বসল; তার দুই হাঁটু তাঁর (নবীর) হাঁটুর সঙ্গে মিলিয়ে দিল এবং তার হাতের দুই করতলকে নিজ জানুর উপর রেখে বলল, ‘ হে মুহাম্মদ! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে বলুন।‘ সুতরাং রাসুলুল্লাহ সঃ বললেন, “ ইসলাম হল এই যে,
তুমি সাক্ষ্য দেবে, আল্লাহ ছাড়া কোন (সত্য) উপাস্য নাই, আর মুহাম্মদ আল্লাহর রাসুল,-
নামায প্রতিষ্ঠা করবে,-
যাকাত প্রদান করবে,-
রমযানের রোযা রাখবে এবং-
কা’বা ঘরের হজ্জ্ব করবে; যদি সেখানে যাবার সঙ্গতি রাখ।“-
সে, বলল, ‘আপনি ঠিকই বলেছেন।‘ আমরা তার কথায় আশ্চর্য্য হলাম যে, সে জিজ্ঞাসাও করছে এবং ঠিক বলে সমর্থনও করছে! সে ( আবার) বলল, ‘ আপনি আমাকে ঈমান সম্পর্কে বলুন।‘ তিনি বললেন,
তুমি আল্লাহর প্রতি,-
তাঁর ফেরেশতাগণ,-
তাঁর কিতাবসমূহ,-
তাঁর রাসূলসমূহ,-
পরকাল এবং-
ভাগ্যের ভাল-মন্দের প্রতি বিশ্বাস রাখবে।“-
সে, বলল, আপনি যথার্থ বলেছেন।‘ সে (তৃতীয়) প্রশ্ন করল যে, “আমাকে ইহসান সম্পর্কে বলুন! তিনি বললেন, “ ইহসান হল এই যে,
তুমি এমন ভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে; যেন তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছ।-
সে পুনরায় বলল, আপনি আমাকে কিয়ামত দিন সম্পর্কে বলুন ( সেদিন কবে সংঘটিত হবে?) তিনি বললেন, “ এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত (ব্যক্তি) জিজ্ঞাসকের চেয়ে বেশী অবহিত নয়। (অর্থাৎ কেয়ামতের নির্দিষ্ট দিন আমাদের দুজনেরই অজানা)। সে বলল, (তাহলে) আপনি ওর নিদর্শনসমূহ সম্পর্কে আমাকে বলে দিন। তিনি বললেন,” (ওর কিছু নিদর্শন হলো এই যে, )
কৃতদাসী তার মনিবকে প্রসব করবে।-
আর তুমি নগ্নপদ, বস্ত্রহীন ও দরিদ্র ছাগলের রাখালদেরকে অট্টালিকা নির্মানের কাজে পরস্পর গর্ব করতে দেখবে।“-
অতঃপর সে (আগন্তুক প্রশ্নকারী) চলে গেল। ( উমর রঃ বলেন,) ‘আমি অনেকক্ষণ রাসূল ্সাঃ এর খেদমতে থাকলাম। পুনরায় তিনি বললেন, “ হে উমর! তুমি কি জান যে, প্রশ্নকারী কে ছিল?” আমি বললাম, “ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল বেশী জানেন।‘ তিনি বললেন, “ ইনি জিব্রাইল ছিলেন, তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন শিখানোর জন্য এসেছিলেন।“ (মুসলিম-১০২, বুখারী-৫০)
-হাদীস সম্ভার, ১ম খন্ড, পৃঃ ১০৭
আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনের ৪১ নং সূরা হা মীম আস-সিজদার ৩০-৩১ নং আয়াতে মুমিনদের কে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়াছেনঃ
إِنَّ الَّذِينَ قَالُوا رَبُّنَا اللَّهُ ثُمَّ اسْتَقَامُوا تَتَنَزَّلُ عَلَيْهِمُ الْمَلَائِكَةُ أَلَّا تَخَافُوا وَلَا تَحْزَنُوا وَأَبْشِرُوا بِالْجَنَّةِ الَّتِي كُنتُمْ تُوعَدُونَ [٤١:٣٠]
نَحْنُ أَوْلِيَاؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ ۖ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَشْتَهِي أَنفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ [٤١:٣١]
নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ, অতঃপর তাতেই অবিচল থাকে, তাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় এবং বলে, তোমরা ভয় করো না, চিন্তা করো না এবং তোমাদের প্রতিশ্রুত জান্নাতের সুসংবাদ শোন।
ইহকালে ও পরকালে আমরা তোমাদের বন্ধু। সেখানে তোমাদে র জন্য আছে যা তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্যে আছে তোমরা দাবী কর।
হযরত ইমাম গাজ্জালী রঃ তাঁর মিনহাজুল আবেদীন গ্রন্থে একজন মুমিন কে যে কয়টি মৌলিক গুন অর্জন করতে হবে তার কিছু এখানে উল্লেখ করা হলোঃ
১। ইলম অর্জন করা (কোরআন ও হাদীসের)
২। কৃত পাপের জন্য তওবা করা।
৩। সৃষ্টির সাথে সম্পর্ক ও দায়িত্ব-কর্তব্য।
৪। শয়তান এর পরিচয় ও তার অনিষ্ট থেকে রক্ষার উপায়।
৫। নফস আম্মারার পরিচয় ও তার থেকে বিরত থাকার উপায় ( পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের দ্বারা ক্ষতিকর দিক থেকে রক্ষা)
৬। পেট ও তার হিফাজত (হারাম-হালাল)
হযরত ইমাম গাজ্জালী রঃ তাঁর কিমিয়ায়ে সায়াদাত (১-৪খন্ড) গ্রন্থে একজন মুমিন কে যে কয়টি মৌলিক গুন অর্জন এর জন্য সাধনা করতে হবে তার বিষয়গুলি এখানে উল্লেখ করা হলোঃ
২য় খন্ডঃ ১। পানাহার প্রণালী। ২। বিবাহ ৩। উপার্জন ও ব্যবসা ৪। হালাল , হারাম ও সন্দেহজনক বষয় ৫। সংসর্গ ৬। নির্জনবাস, ৭। সৎকাজে উপদেশ ও গর্হিত কাজে নিষেধ, প্রজাপালন ও রাজ্যশাসন
৩য় খন্ডঃ ১।সতস্বভাব সংগঠন এবং আধ্যাত্মিক সাধনা ২। ধর্মপথে পরিশ্রম সহকারে অগ্রসর হওয়ার পদ্বতি, ৩। ভোজনস্পৃহা, কামরিপু ও লোভ দমনের উপায়, ৪। বাহুল্য কথন স্পৃহার প্রতিকার ও রসনার আপদ ৫। ক্রোধ , ঈর্ষা, বিদ্বেষ ও ইহাদের প্রতিকার, ৬। সর্বাধিক পাপের মুল সংসারাসক্তি হইতে অব্যাহতি লাভের উপায় ৭। মর্যাদা ও আড়ম্বর প্রিয়তাঃউহার বিপদ ও প্রতিকার, ৮। এবাদত ও ধর্ম-কর্মে রিয়া বা লোক দেখানো সঙ্কল্পের প্রতিকার ৯। তাকাব্বুর বা অহংকার এর প্রতিকার, ১০। মোহ , পথভ্রান্তি ও বুদ্ধি বিভ্রম।
৪র্থ খন্ডঃ ১।তওবা, ২। ছবর, ৩। শোকর, ৪। ভয় ও আশা, ৫। দারিদ্রতা ও বৈরাগ্য, ৬। নিয়ত ৭। ইখলাস, ৮। ছিদক( সত্যপরায়ণতা) ৯। মোহাসাবা ( আত্মসমালোচনা) ১০। তাফাক্কুর ( আল্লাহর সৃষ্টী সম্বন্ধে গবেষণা) ১০। তাওয়াক্কুল ( আল্লাহর উপর নির্ভরতা) ১১। মৃত্যু চিন্তা।
সুতরাং একজন মুমিনকে উপরোক্ত বিষয়গুলির উপর মনোযোগ সহকারে গভীর জ্ঞান অর্জন পূর্বক তা জীবনের প্রত্যেক পদক্ষেপে আমল বা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যেতে হবে তবেই আল্লাহ পাকের ক্ষমা এবং মৃত্যু পরবর্তীতে জান্নাতের আশা করে যায়।
পরিশেষে পবিত্র কোরআনের ৩ নং সূরা আলে ইমরান এর ১০২ নং আয়াত দিয়ে এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে আমল করার তৌফিক দিন।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ [٣:١٠٢]
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিৎ ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাক। এবং অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।