পবিত্র কোরান এবং আমাদের জীবন

 

বিতাড়িত শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই।

পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

পবিত্র কোরআন এর কতিপয় নির্দেশ সংক্রান্ত আয়াত হতে গৃহীত অংশের মর্মবাণী

 

 আপনার গৃহে রক্ষিত পবিত্র কোরআনের অনুবাদে নীচের আয়াতগুলো সূরার ক্রমিক নম্বর এবং আয়াত নম্বর এর সাথে মিলায়ে তফসীর সহ পাঠ করুন

 

সুরার নাম সুরার ক্রমিক নং আয়াত নং আদেশ/নিষেধ
বাকারাহ ২১ তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত কর।
বাকারাহ ২২ আল্লাহর সাথে অন্য কাকেও সমকক্ষ করোনা।
বাকারাহ ৪২ সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিওনা।
বাকারাহ ৪৩ নামায কায়েম কর, যাকাত দান কর,নামাযে অবনত হও(রুকু কর) তাদের সাথে যারা অবনত হয়।
বাকারাহ ৪৫ ধর্য্যের সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে।
বাকারাহ ৮৩ আল্লাহ ছাড়া কারো উপাসনা করবেনা, পিতামাতা, আত্মীয়,এতীম,দরীদ্রের সাথে সদ্ব্যবহার করবে, মানুষকে সৎ (সুন্দর)কথা বলবে।
বাকারাহ ৮৪ পরস্পর খুনাখুনি করবে না-স্বগোত্রীয় লোককে নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত করবেনা-
 

 

বাকারাহ

 

 

 

 

১০২

 

 

যে কেউ যাদু অবলম্বন করে তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই-

বাকারাহ ১৬৮ হালাল ও পবিত্র বস্তু ভক্ষন কর।
বাকারাহ ১৭২ শুকরিয়া  আদায় কর আল্লাহর।
বাকারাহ ১৭৭ সৎকাজঃ  (আয়াতের অর্থ) 

পুর্ব ও পশ্চিম দিকে তোমাদের মুখ ফেরানোতে কোন পুণ্য নেই;কিন্তু পুণ্য আছে আল্লাহ, পরকাল, ফেরেস্তাগণ, সমস্ত কিতাব এবং নবীগণকে বিশ্বাস করলে এবং অর্থের প্রতি আসক্তি থাকা সত্বেও আত্মীয়-স্বজন, পিতৃহীন,অভাবগ্রস্থ (এতিম-মিসকীন), মুসাফির,সাহায্যপ্রার্থী (ভিক্ষুক)গণকে এবং দাস মুক্তির জন্য দান করলে, নামায যথাযথভাবে পড়লে ও যাকাত প্রদান করলে এবং দুঃখ-দৈন্য, রোগ-বালা ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্যধারণ করলে। এরাই তারা যারা সত্যপরায়ণ এবং ধর্মভীরু।

বাকারাহ ১৮৫ রমজান মাসঃ এ মাসের রোজা রাখবে-তোমাদের হেদায়াত দান করার জন্য আল্লাহতায়ালার মহত্ব বর্ননা কর।
বাকারাহ ১৮৮ অন্যায় ভাবে একে অপরের সম্পদ ভোগ করোনা। আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে শাসন কতৃপক্ষের হাতে সম্পদ তুলে দিও না।
বাকারাহ ১৯৫ আল্লাহর পথে ব্যয় কর।
বাকারাহ ২১৫ ব্যয়ের খাতঃ পিতামাতা, আত্মীয়, আপনজন,এতীম,অনাথ, অসহায় এবং মুসাফির-
বাকারাহ ২১৯ ব্যয় করবে- যা উদ্ধৃত্ত।
বাকারাহ ২২০ এতিমের উপকারের চেষ্টা কর-
বাকারাহ ২২১ মুশরিক নারী বিয়ে করো না-যে পর্যন্ত না ঈমান গ্রহণ করে-
বাকারাহ ২৩১ তোমাদের স্ত্রীদের নির্যাতন অথবা বাড়াবাড়ি করার উদ্দেশ্যে (তালাকের পর)আটকে রেখোনা
বাকারাহ ২৩৮ সমস্ত নামাজের  প্রতি সতর্ক থাক বিশেষভাবে মধ্যবর্তী নামায-
বাকারাহ ২৬৪ দানের কথা প্রচার করে এবং কষ্ট দিয়ে তোমাদের দান নষ্ট করোনা-
বাকারাহ ২৭২ আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে ব্যয় করোনা-
বাকারাহ ২৭৫ আল্লাহ সূদ হারাম করেছেন-
বাকারাহ ২৮২ ধারের আদান-প্রদান লিপিবদ্ধ করে নাও-
বাকারাহ ২৮৩ সাক্ষ্য গোপন করোনা-
আলে ইমরান ১৭ সৎকাজঃ (আয়াতের অর্থ)

তারা ধৈর্য্যধারণকারী, সত্যবাদী, নির্দেশ সম্পাদনকারী, সৎপথে ব্যয়কারী এবং শেষরাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।

আলে ইমরান ২৮ কাফেরকে বন্ধুরুপে গ্রহণ করবে না-
আলে ইমরান ৯২ প্রিয় বস্তু থেকে ব্যয় করো-
আলে ইমরান ৯৭ (আয়াতের অর্থ)- আল্লাহ্‌র উদ্দেশ্যে এই গৃহে হজ করা মানবগোষ্ঠীর জন্য আবশ্যিক –যে লোকের সামর্থ্য রয়েছে এ পর্যন্ত পৌঁছার।
আলে ইমরান ১০৩ আল্লাহর রজ্জু (কোরআন/দ্বীন) সুদৃঢ় হাতে ধর, বিচ্ছিন্ন হয়ো না-
আলে ইমরান ১০৪ সৎ কাজে আদেশ, অসৎকাজে নিষেধ করো-
আলে ইমরান ১২২ আল্লাহর উপর ভরসা কর-
আলে ইমরান ১৩৪ অর্থঃ যারা স্বচ্ছলতায় ও অভাবের সময় ব্যয় করে, যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে, বস্তুতঃ আল্লাহ সৎকর্মশীলদিগকেই ভালবাসেন।
আলে ইমরান ১৩৫ পাপ অনুষ্ঠিত হলে ক্ষমা প্রার্থনা করো- জেনে শুনে তারই পুনরাবৃত্তি করোনা।
আলে ইমরান ১৯১ দাঁড়িয়ে,বসে,শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ কর সৃষ্টি বিষয়ে চিন্তা কর-
নিসা এতীমের সম্পদ বুঝিয়ে দাও-মন্দের সাথে ভালোর বদল করোনা-নিজের সম্পদের সাথে মিশ্রিত করে গ্রাস করোনা-
নিসা তোমাদের স্ত্রীদের মহর সন্তুষ্টচিত্তে প্রদান করো-
নিসা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ বন্টনের সময় আত্মীয়,এতীম,অভাবগ্রস্থ এলে তাদেরও কিছু দাও-
নিসা ১৯ তোমাদের স্ত্রীর সাথে সদ্ভাবে জীবন যাপন কর-
নিসা ২৯ পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করোনা- সন্মতিক্রমে ব্যবসা করা বৈধ-
নিসা ৩২ অন্যের প্রাপ্ত বিষয়ের আকাঙ্ক্ষা করোনা-
নিসা ৩৩ যাদের সাথে অংগীকারাবদ্ধ হয়েছ তাদের প্রাপ্য দিয়ে দাও-
নিসা ৩৪ পুরুষ নারীর কর্তা, কারণ আল্লাহ তাদের এককে অপরের উপর শ্রেষ্টত্ব দান করেছেন এবং এজন্য যে, পুরুষ তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে। সুতরাং সতী-সাধ্বী স্ত্রীরা আনুগত্যপরায়ণ হয়——
 

 

নিসা

 

 

 

 

৩৬

 

 

আল্লাহর শরীক করবেনা- পিতামাতার সাথে সৎ ও সদয় ব্যবহার কর- আত্মীয়, এতীম, মিসকীন, প্রতিবেশী,মুসাফির, দাস-দাসীর প্রতি–

নিসা ৩৭ কৃপণতা করোনা-আল্লাহর অনুগ্রহ গোপন করোনা-
নিসা ৫৮ আমানত, তার মালিককে প্রত্যার্পন করবে-মানুষের বিচার মীমাংসা করবে ন্যায়ভিত্তিক-
নিসা ৫৯ অর্থঃ হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের………………………।
নিসা ৮৬ দোয়া-সালাম এর উত্তর দাও তার চেয়ে উত্তম অথবা অনুরুপভাবে-
নিসা ১০১ সফর কালে নামাজ কছর করতে পার-
নিসা ১০৩ দাঁড়িয়ে,বসে, শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ কর- নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে পড়া ফরজ-
নিসা ১১২ নিজের পাপ অন্যের উপর চাপানো বা অপবাদ দেওয়া ভীষন পাপ-
নিসা ১৩৫ ন্যায়ে অবিচল থাক-

সত্য সাক্ষ্য দান কর-

পেঁচালো কথা বলে বা পাশ কাটিয়ে যেওনা-

নিসা ১৪৮ মন্দ কথার প্রচারনা করোনা-তবে কারো প্রতি জুলুম হয়ে থাকলে তার কথা ভিন্ন-
মায়িদা অংগীকার সমূহ পূর্ণ কর-
 

মায়িদা

 

 

 

সৎ কাজ ও আত্মসংযমে পরস্পর সাহায্য কর- পাপ ও সীমালংঘনে একে অন্যের সাহায্য করোনা-

মায়িদা  অর্থঃ  তোমাদের  জন্যে হারাম করা হয়েছে মৃত জীব, রক্ত, শুকরের মাংস, যেসব জন্তু আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকৃত হয়, যা কন্ঠরোধে মারা যায়, যা আঘাত লেগে মারা যায়, যা উচ্চ স্থান থেকে পতনের ফলে মারা যা, যা শিং এর আঘাতে মারা যায় এবং যাকে হিংস্র জন্তু ভক্ষণ করেছে, কিন্তু যাকে তোমরা যবেহ করেছ। যে জন্তু যজ্ঞবেদীতে যবেহ করা হয় এবং যা ভাগ্য নির্ধারক শর দ্বারা বন্টন করা হয়…………।
মায়িদা ন্যায় সাক্ষ্য দানে অবিচল থাক-

বিদ্বেষের কারণেও তা ত্যাগ করোনা-সুবিচার কর-

মায়িদা ৩২ হত্যা মহাপাপ-জীবণ রক্ষা মহা পূণ্য-
মায়িদা ৩৮ চুরি করলে হাত কেটে দাও-
মায়িদা ৪৪ মানুষকে ভয় করোনা-

আমাকেই ভয় কর

কাফের সেই, যে আল্লাহর বিধান অনুসারে বিধান দেয়না

মায়িদা ৬৪ বিশৃংখলা সৃষ্টি,

ধংসাত্ত্বক কাজ করোনা-

মায়িদা ৮৬ যারা কুফরী করেছে ও আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে তারাই জাহান্নামবাসী।
মায়িদা ৮৮ হালাল ও পবিত্র বস্তু খাও-
মায়িদা ৯০ মদ, জুয়া, পুজার বেদী ইত্যাদি শয়তানের কাজ-এসব বর্জন কর-
মায়িদা ৯৫ এহরাম অবস্থায় শিকার করোনা-
মায়িদা ৯৬ সমুদ্রের শিকার ও সমুদ্রের খাদ্য হালাল-
মায়িদা ১০৫ নিজেদের (সংশোধন করার) চিন্তা কর-
আন’আম ১২০ প্রকাশ্য পাপ ও গোপন পাপ বর্জন কর
আন’আম ১২১ যে জীব আল্লাহর নামে জবেহ হয়নি তা খেওনা-
আন’আম ১৫১ আল্লাহর শরীক করোনা-পিতামাতার সাথে সদব্যবহার করবে, দারিদ্রের ভয়ে সন্তান হত্যা করোনা, নির্লজ্জতার বিষয় বর্জন কর-গোপন হোক বা প্রকাশ্য-কোন প্রাণ ধংস করোনা যথার্থ কারণ ছাড়া যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন আল্লাহ-
আন’আম ১৫২ ওজনে পূর্ণ ইনসাফ করো –ইনসাফের কথা বলো-
আন’আম ১৫৯ দ্বীনকে খন্ড খন্ড করোনা-দলাদলি করোনা-
আ’রাফ ২৬ তাকওয়ার ( আল্লাহর ভয়) পোষাকই সর্বোত্তম-
আ’রাফ ৩১ নামাযের সময় সুন্দর পরিচ্ছদ পরিধান কর-
আ’রাফ ৩৩ হারাম বিষয়-প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অশ্লীলতা,পাপ, অন্যায় ও অত্যাচার,শিরক এবং আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করা-
আ’রাফ ৫৬ ভুপৃষ্টে বিপর্যয়/অশান্তি সৃষ্টি করবেনা-
আ’রাফ ১২৮ আল্লাহর ভরসা রাখ এবং দৃঢ় থাক-
আ’রাফ ২০৪ কোরান পাঠকালে চুপ থাক এবং শ্রবণ কর
আ’রাফ ২০৫ তোমার প্রতিপালককে মনে মনে এবং সবিনয়ে সশংকচিত্তে অনুচ্চস্বরে প্রত্যুষে ও সন্ধ্যায় স্মরণ কর-
আনফাল ৪৬ নিজদিগের মধ্যে বিবাদ করোনা-
তওবা ২৮ মুশরিকরা  অপবিত্র।
তওবা ১১১ আল্লাহ বিশ্বাসীদের নিকট হতে তাদের জীবন ও সম্পদ বেহেশতের বিনিময়ে ক্রয় করে নিয়েছেন-
তওবা ১১২ সুসংবাদ তাদের জন্য যারা তওবা করে,ইবাদত করে, আল্লার প্রশংসা করে, সিয়াম পালন করে, রুকু সিজদা করে, সৎকাজে আদেশ, অসৎকাজে নিষেধ করে ও আল্লাহর সীমারেখা সংরক্ষণ করে-
হুদ ১১ ৬১ আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং তাঁরই দিকে প্রর্ত্যাবর্তন কর-
হুদ ১১ ৮৫ লোকদিগকে তাদের প্রাপ্যবস্তু কম দিবেনা এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটাবেনা-
হুদ ১১ ১১৩ যারা সীমালংঘন করেছে তাদের প্রতি ঝুঁকে পড়োনা-
হুদ ১১ ১১৪ সৎকর্ম অসৎকর্মকে দূর করে দেয়, যারা উপদেশ গ্রহণ করে তাদের জন্য এ এক উপদেশ-
ইউসুফ ১২ ৮৭ আল্লাহর আশিষ হতে নিরাশ হয়োনা-অবিশ্বাসী সম্প্রদায় ব্যতীত আল্লাহর আশিষ হতে কেউ নিরাশ হয়না-
 

ইউসুফ

 

১২

 

১০৬

 

তাদের অধিকাংশ আল্লাহে বিশ্বাস করে কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে।

 

 

রা’দ

 

 

১৩

 

 

২২

 

 

শুভ পরিনাম তাদের যারা তাদের প্রতিপালকের সন্তুষ্টির জন্য কষ্ট বরণ করে, সালাত কায়েম করে, গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, ভাল দারা  মন্দের প্রতিরোধ করে-

রা’দ ১৩ ২৮ আল্লাহর স্মরণেই চিত্ত প্রশান্ত হয়-
ইবরাহীম ১৪ ১৮ অবিশ্বাসীর কর্ম নিষ্ফল-
ইবরাহীম ১৪ ৩৪ আল্লাহর অনুগ্রহ গননা করলে ওর সংখ্যা নির্নয় করতে পারবেনা-
নাহল ১৬ ৪৫ কুকর্মের ষড়যন্ত্র করোনা-
নাহল ১৬ ৫২ আল্লাহর আনুগত্য কর,আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে ভয় করোনা-
নাহল ১৬ ৯০ আল্লাহ নির্দেশ দেন-ন্যায়পরায়নতা,সদাচরন,আত্মীয়স্বজনকে দানের এবং নিষেধ করেন-অশ্লীলতা,অসৎকাজ,সীমালংঘন-
নাহল ১৬ ৯২ পরস্পরকে প্রবঞ্চনা করার জন্য শপথকে ব্যবহার করোনা-
নাহল ১৬ ৯৫ আল্লাহর সাথে কৃত অংগীকার পূর্ণ কর-
নাহল ১৬ ১১৪ যা পবিত্র ও বৈধ তা আহার কর এবং আল্লাহর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর-
 

 

 

 

 

 

 

 

 

বনী ইসরাইল

 

 

 

 

 

 

 

 

 

১৭

 

 

 

 

 

 

 

 

 

২৩-২৪

 

 

(২৩) তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা।

(২৪) তাদের সামনে ভালবাসার সাথে, নম্রভাবে মাথা নত করে দাও এবং বলঃ হে পালনকর্তা, তাদের উভয়ের প্রতি রহম কর, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।

বনী ইসরাইল ১৭ ২৬ আত্মীয়্স্বজনদেরকে তাদের প্রাপ্য দাও,অভাবগ্রস্থ ও মুসাফিরকেও-

অপব্যয় করোনা-

বনী ইসরাইল ১৭ ২৯ বদ্ধমুষ্টি হয়োনা বা একেবারে মুক্তহস্ত হয়োনা-হলে তুমি নিন্দিত ও নিঃস্ব হবে-
বনী ইসরাইল ১৭ ৩১ সন্তানকে দারিদ্রের ভয়ে হত্যা করোনা-এ মহাপাপ-
বনী ইসরাইল ১৭ ৩২ ব্যভিচার করোনা-(নিকটবর্তী হয়োনা)-ইহা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরন-
বনী ইসরাইল ১৭ ৩৪ সৎ উদ্দেশ্য ছাড়া এতিমের সম্পদের নিকটে যেওনা-প্রতিশ্রুতি পালন করো-
 

বনী ইসরাইল

 

১৭

 

৩৫

 

মাপার সময় পূর্ণ মাপে দিবে, ওজন ঠিক

রাখবে-

বনী ইসরাইল ১৭ ৩৬ যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই সে বিষয়ে অনুমান দ্বারা পরিচালিত হয়োনা-কর্ণ,চক্ষু অন্তর প্রত্যেকের নিকট কৈফিয়ত চাওয়া হবে-
বনী ইসরাইল ১৭ ৭৮ ফজরের সালাত পরিলক্ষিত হয় বিশেষভাবে-
বনী ইসরাইল ১৭ ১১০ সালাতে স্বর উচ্চ করোনা ক্ষীনও করোনা- এদুয়ের মধ্যপথ অবলম্বন কর-
কাহফ ১৮ ২৩-২৪ কোন বিষয়ে ‘ইনশা আল্লাহ ‘ বলা ব্যতীত বলোনা-‘আমি উহা আগামীকাল করব’
কাহফ ১৮ ২৮ যারা আল্লাহর স্মরণে লিপ্ত তাদের সংসর্গ অবলম্বন কর-যারা আল্লাহ বিমুখ তাদের আনুগত্য করোনা-
তাহা ২০ ১৩২ তোমার পরিবারবর্গকে সালাতের আদেশ দাও ও উহাতে অবিচলিত থাক-
আম্বিয়া ২১ ১৮ আমি সত্য দ্বারা মিথ্যা নিশ্চিহ্ন করি –
হাজ্জ ২২ ৩০ বর্জন কর মূর্তি পূজার অপবিত্রতা  এবং দূরে থাক মিথ্যা কথা হতে।
হাজ্জ্ব ২২ ৭৮ আল্লাহর পথে সংগ্রাম কর যেভাবে সংগ্রাম করা উচিত-তিনি তোমাদিগকে মনোনিত করেছেন-তোমাদিগের জন্য কঠিন কোন বিধান দেন নাই-তোমরা মুসলিম-রাসুল তোমাদিগের জন্য সাক্ষী-তোমরা স্বাক্ষী মানবজাতির জন্য-তোমরা সালাত কায়েম কর, জাকাত দাও, আল্লাহকে অবলম্বন কর-তিনিই তোমাদের অভিভাবক-
মু’মিনুন ২৩ ১-৯ সফলকাম তারাই-যারা বিশ্বাসী,সালাতে বিনয়-নম্র,অসার ক্রিয়া-কলাপ হতে বিরত, যাকাত দানে সক্রিয়, লজ্জাস্থান সংরক্ষণকারী,আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী,সালাতে যত্নবান-
মু’মিনুন ২৩ ৬১ কল্যানকর কাজ দ্রুত সম্পাদন কর-এবং ওতে অগ্রগামী হও-
মু’মিনুন ২৩ ৯৬ মন্দের মোকাবিলা কর ভাল দ্বারা-
নুর ২৪ ব্যভিচারীর শাস্তি দিতে দয়া করোনা-
নুর ২৪ ব্যভিচারীদের বিবাহ বিশ্বাসীদের জন্য হারাম-
নুর ২৪ অপবাদ আরোপকারী  ৪ জন সাক্ষী উপস্থিত করতে ব্যর্থ হলে শাস্তি ৮০ টি কশাঘাত। এদের সাক্ষ্য গ্রহণ যোগ্য হবেনা, এরা ফাসেক-
নুর ২৪ ২২ মানুষকে ক্ষমা কর-দান বন্ধ করার প্রতিজ্ঞা করোনা-
 

নুর

 

২৪

 

২৩

 

সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপকারী অভিশপ্ত-

নুর ২৪ ২৭ পরগৃহে প্রবেশ কালে অনুমতি লও এবং সালাম কর-
নুর ২৪ ৩০ দৃষ্টি সংযত কর এবং লজ্জাস্থান সংরক্ষণ কর-
নুর ২৪ ৩১ মু’মিন নারীরা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে, তাদের সাজসজ্জা না দেখায় যা নিজে নিজে প্রকাশ হয়ে যায় তা ছাড়া, তাদের গ্রীবা ও বুক যেন মাথার কাপড় দ্বারা ঢেকে রাখে——-।
নুর ২৪ ৩২ তোমাদের যারা অবিবাহিত, বিপত্নীক,বিধবা-তাদের বিবাহ দাও-
নুর ২৪ ৩৭ ব্যবসা-বাণিজ্য –আল্লাহর স্মরণ হতে,সালাত কায়েম হতে, জাকাত প্রদান হতে যেন তোমাদের বিরত না রাখে-
নুর ২৪ ৫১ ফয়সালার জন্য আল্লাহ ও রাসুলের আহবানে সাড়া দাও-
নুর ২৪ ৫৬ সালাত কায়েম কর,জাকাত প্রদান ও রাসূলের আনুগত্য কর–
নুর ২৪ ৫৭ সত্য প্রত্যাখ্যানকারী/কাফিরদেরকে পৃথিবীতে প্রবল মনে করোনা,

তাদের আশ্রয়স্থল জাহান্নাম;

কত নিকৃষ্ট এই পরিণাম।

 

 

 

নুর

 

 

 

২৪

 

 

 

৫৮

 

 

 

তোমরা যখন একান্তে তোমাদের কক্ষে অবস্থান কর,অন্যরা প্রবেশের জন্য অনুমতি গ্রহণ করা উচিৎ-

নুর ২৪ ৫৯ তোমাদের সন্তানরাও বড় হলে তাদের উচিৎ কক্ষে প্রবেশের অনুমতি গ্রহণ করা-
নুর ২৪ ৬১ একান্ত আত্মীয় এবং বন্ধুদের গৃহে একত্রে অথবা পৃথকভাবে আহার করতে পার-গৃহে প্রবেশকালে বলো-‘সালাম’-
ফোরকান ২৫ ৬৩-৬৮ পৃথিবীতে নম্র হও, অজ্ঞদের প্রশান্তভাবে উপেক্ষা কর,রাত্রে ইবাদত কর,ব্যয়ে মধ্যপথ অবলম্বন করো,শরীক করোনা আল্লাহর সাথে, অন্যায়ভাবে হত্যা করোনা,ব্যভিচার করোনা-
ফোরকান ২৫ ৭২ মিথ্যা সাক্ষী দিওনা, অসার ক্রিয়াকলাপ পরিহার কর-
ফোরকান ২৫ ৭৪ নিজের ও স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততির জন্য আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনা কর-
শোয়ারা ২৬ ১৮৩ লোকদের প্রাপ্য কম দিওনা- পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটাবেনা-
শোয়ারা ২৬ ২২৪-২২৭

কবিদের অনুসরণ করোনা-ওরা লক্ষ্যহীন কল্পনা বিহার করে এবং তাহা বলে যাহা করেনা-তবে বিশ্বাসী,সৎকর্মশীল, আল্লাহকে বারবার স্মরনকারীগণ ব্যতীত যারা অত্যাচারিত হবার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে ।

নমল ২৭ ১১ মন্দ কাজ হয়ে গেলে (তওবা কর) সৎকাজ করো-আল্লাহ ক্ষমাশীল-
নমল ২৭ ৪০ কৃতজ্ঞ হও-নিজের কল্যানের জন্য-
ক্কাসাস ২৮ ৫৪ দুইবার পুরস্কৃত করা হবে-যারা ধৈর্যশীল,ভাল দ্বারা মন্দের মোকাবিলা করে-
ক্কাসাস ২৮ ৫৫ ওরা অজ্ঞদের অসার বাক্য শান্তভাবে পরিহার করে-
ক্কাসাস ২৮ ৭৭ আল্লাহ প্রদত্ত অনুগ্রহ দ্বারা পরলোকের কল্যান অনুসন্ধান কর-ইহলোকের বৈধ সম্ভোগ উপেক্ষা করোনা- সদাশয় হও-বিপর্যয়কারী হয়োনা-
আনকাবুত ২৯ ৪৫ তোমার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পাঠ কর-সালাত কায়েম কর-আল্লাহর স্মরণই সর্বশ্রেষ্ট-
আনকাবুত ২৯ ৫৬ আমার পৃথিবী প্রশস্ত,সুতরাং আমারই ইবাদত কর-
রুম ৩০ ৩৮ আত্মীয়, দরিদ্র ও মুসাফিরকে তাদের প্রাপ্য প্রদান করিও-
লোকমান ৩১ ১৪ আমার প্রতি ও তোমার পিতামাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও-
লোকমান ৩১ ১৭ সালাত কায়েম করো-সৎকাজের নির্দেশ দিও,বিপদে ধৈর্য ধারণ করো-
লোকমান ৩১ ১৮ অহংকার বশে মানুষকে অবজ্ঞা করোনা-

পৃথিবীতে উদ্ধতভাবে বিচরণ করোনা।

লোকমান ৩১ ১৯ পদক্ষেপ করো সংযতভাবে,কন্ঠস্বর নীচু করো-
আহাযাব ৩৩ আল্লাহর উপর নির্ভর কর-কর্ম বিধানে আল্লাহই যথেষ্ট-
আহাযাব ৩৩ নবী বিশ্বাসিদিগের নিকট তাদের নিজের চেয়েও ঘনিষ্টতর এবং তাঁর পত্নীগন তাদের মাতাসরুপ-
আহাযাব ৩৩ ২১ রসুলুল্লাহর (সঃ) এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ-
আহাযাব ৩৩ ৩৫ ক্ষমা ও প্রতিদান তাদের জন্য যারা-আত্মসমর্পনকারী,বিশ্বাসী,অনুগত, সত্যবাদী,ধৈর্যশীল,বিনীত,দানশীল, সওম পালনকারী,লজ্জাস্থান সংরক্ষণকারী,আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী-
আহাযাব ৩৩ ৪৭ বিশ্বাসীদের সুসংবাদ দাও-তাদের  জন্য আল্লাহর নিকট রয়েছে মহা অনুগ্রহ-
আহাযাব ৩৩ ৭০ আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো-
সাবা ৩৪ ৪৮ বল, আমার প্রতিপালক সত্য দ্বারা মিথ্যাকে চুর্ন করেন-
ফাতীর ৩৫ হে মানুষ! আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য,সুতরাং পার্থিব জীবন যেন তোমাদের প্রতারিত না করে-
ফাতীর ৩৫ ২৪ এমন  কোন সম্প্রদায় নাই যাদের নিকট সতর্ককারী প্রেরিত হয়নি-
 

ফাতীর

 

৩৫

 

২৮

 

আল্লাহর দাসদিগের মধ্যে জ্ঞানীরাই তাঁকে ভয় করে-

ছোয়াদ ৩৮ ২৯ এই কল্যানময় কিতাব অবতীর্ন করেছি যাতে মানুষ এর আয়াত অনুধাবন করে এবং বোধশক্তি সম্পন্ন ব্যক্তি গ্রহণ করে উপদেশ –
যুমার ৩৯ ১৮ যা উত্তম তাই গ্রহণ কর-
মু’মিন ৪০ ২৮ আল্লাহ সীমালংঘনকারী ও মিথ্যাবাদীকে সৎপথে পরিচালিত করেননা-
মু’মিন ৪০ ৩৫ উদ্ধত –সৈরাচারী পথভ্রষ্ট-
হা-মীম সাজদাহ ৪১ ৩৩ আল্লাহর প্রতি মানুষকে আহবান কর-
হা-মীম সাজদাহ ৪১ ৩৪ মন্দ প্রতিহত কর উৎকৃষ্ট দ্বারা-
হা-মীম সাজদাহ ৪১ ৩৫ এই চরিত্রের অধিকারী হয় তারা যারা ধৈর্যশীল –মহা ভাগ্যবান-
হা-মীম সাজদাহ ৪১ ৩৬ শয়তানের কুমন্ত্রনা প্ররোচিত করলে আল্লাহর স্মরণ লও-তিনি সর্বশ্রোতা-
শুরা ৪২ ৪০ মন্দের প্রতিফল মন্দ-যে ক্ষমা করে আপোষ করে তার পুরস্কার আছে-
শুরা ৪২ ৪১ মজলুমের প্রতিশোধ গ্রহণ দোষনীয় নয়-
শুরা ৪২ ৪৩ ধৈর্য ও ক্ষমা বীরত্তের  কাজ-
জাসিয়া ৪৫ ২১ দুষ্কৃতিকারী এবং বিশ্বাসী সৎকর্মশীল সমান নয়-জীবন ও মৃত্যুর দিক দিয়ে-
আহকাফ ৪৬ ১৫ মাতাপিতার প্রতি সদয় ব্যবহার করো-
 

 

মুহাম্মদ

 

 

৪৭

 

 

 

তোমরা যদি আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য কর,আল্লাহ তোমাদিগকে সাহায্য করবেন, তোমাদে্র অবস্থান দৃঢ়  করবেন-

মুহাম্মদ ৪৭ ২২ আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করোনা-
হুজুরাত ৪৯ পাপাচারীর আনীত সংবাদ যাচাই করো-
 

হুজুরাত

 

৪৯

 

১১

কাউকে উপহাস করোনা,দোষারোপ করোনা-মন্দ নামে ডেকোনা-
 

হুজুরাত

 

৪৯

 

১২

অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুমান থেকে বিরত থাক-

পরের গোপন বিষয় সন্ধান করোনা-

পশ্চাতে নিন্দা করোনা-

 

হুজুরাত

 

৪৯

 

১৩

তোমাদের সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী হতে-পরে বিভক্ত করেছি জাতি ও গোত্রে-মুত্তাকী লোকই মর্যাদা সম্পন্ন-
যারিয়াত ৫১ কোরআন পরিত্যাগকারী সত্যভ্রষ্ট-
যারিয়াত ৫১ ১৭-১৯ অর্থঃ (১৭) তারা রাত্রির সামান্য অংশেই নিদ্রা যেত (১৮) রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করত (১৯)এবং তাদের ধন-সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক ছিল
তুর ৫২ ৪৮ আল্লাহর স্মরণ কর-প্রশংসা,পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা কর-যখন শয্যা ত্যাগ কর-
নাজম ৫৩ ২৬ আকাশে কত ফেরেশতা রয়েছে! ওদের সুপারিশ ফলপ্রসু হবে না যতক্ষণ আল্লাহ যাকে ইচ্ছা ও যার প্রতি সন্তুষ্ট তার জন্য অনুমতি না দেন-
নাজম ৫৩ ৩২ আত্ম প্রশংসা করোনা-
রহমান ৫৫ ন্যায্য ওজনের মান প্রতিষ্ঠিত কর-ওজনে কম দিওনা-
মুজাদালাহ ৫৮ ১১ যখন বলা হয়-তখন মজলিশে স্থান প্রশস্থ করে দিও-আল্লাহ তোমাদের জন্য স্থান প্রশস্থ করে দিবেন-
হাশর ৫৯ রাসূল (সঃ) তোমাদিগকে যা দেয় তা গ্রহণ কর, যা নিষেধ করে তা হতে বিরত থাক।
ছফ ৬১ যা তোমরা করনা তা বলা আল্লাহর কাছে অসন্তোষজনক-
ছফ ৬১ ১৪ বিশ্বাসীগনঃ আল্লাহর দ্বীনের সাহায্যকারী হও-
জুময়াহ ৬২ জুময়ার দিনে সালাতের জন্য ত্বরা কর-ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ রাখ-
মুনাফিকুন ৬৩ ঐশ্বর্য ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদের আল্লাহর স্মরনে উদাসীন না করে-
তালাক ৬৫ যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার পথ করে দেন-
তাহরীম ৬৬ নিজেদের ও নিজ পরিবার পরিজনকে (জাহান্নামের) আগুন হতে রক্ষা কর-
তাহরীম ৬৬ আল্লাহর নিকট বিশুদ্ধ তওবা কর-
কলম ৬৮ ১০ যে কথায় কথায় শপথ করে তার অনুসরণ করো না-
কলম ৬৮ ১১ পশ্চাতে নিন্দা ও একের কথা অপরকে লাগানো ঘৃন্য পাপের কাজ-
কলম ৬৮ ১২ কল্যাণকর কাজে বাধাদান এবং সীমালংঘন করোনা-
কলম ৬৮ ১৩ রুঢ় স্বভাব নিকৃষ্ট-
কলম ৬৮ ১৪ ঐসব পাপিষ্ঠের অনুসরণ করোনা-সে ধনে-জনে সমৃদ্ধ বলেই-
মা’আরিজ ৭০ ১৮ জাহান্নাম ঐ ব্যক্তিকে ডাকবে…যে সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।
মা’আরিজ ৭০ ২০ বিপদে অস্থির হয়োনা-
মা’আরিজ ৭০ ২১ ঐশ্বর্যশালী হয়ে কৃপণ হয়োনা-
মা’আরিজ ৭০ ৩২ আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করো-
মা’আরিজ ৭০ ৩৩ সাক্ষ্য দানে অটল থাক-
মা’আরিজ ৭০ ৩৪ সালাতে যত্নবান হও-
মুযযাম্মিল ৭৩ কুরআন আবৃত্তি কর-ধীরে, সুষ্ট ও সুন্দর ভাবে-
মুযযাম্মিল ৭৩ ইবাদতের জন্য রাত্রি জাগরন-ধ্যান ও নিবিষ্টতার অনুকুল-
মুদ্দাসসির ৭৪ অপবিত্রতা হতে দূরে থাক-
মুদ্দাসসির ৭৪ অধিক পাওয়ার প্রত্যাশায় অন্যকে কিছু দিওনা-
মুদ্দাসসির ৭৪ ৫৪ কুরআন সকলের জন্য অনুশাসন-
মুদ্দাসসির ৭৪ ৫৫ যার ইচ্ছা সে ইহা হতে শিক্ষা গ্রহন করুক-
ইনসান(দাহর) ৭৬ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই দান করো-বিনিময় বা কৃতজ্ঞতা কামনা করোনা-
ইনসান(দাহর) ৭৬ ২৬ রাত্রে আল্লাহর প্রতি সিজদাবনত হও-
ইনসান(দাহর) ৭৬ ২৭ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীগনই পার্থিব জীবনকে ভালবাসে এবং ( পরকালের) কঠিন দিবসকে উপেক্ষা করে-
মুতাফফিফিন ৮৩ ১-২ মাপে কম দিওনা,যখন গ্রহণ করো পূর্ণমাত্রায়-
শামস ৯১ যে নিজেকে পবিত্র করবে সেই সফলকাম হবে-
লায়ল ৯২ যা উত্তম তা-ই গ্রহণ করো-
লায়ল ৯২ ১৮-২০ দান করবে-শুধুমাত্র আত্মশুদ্ধির জন্য,

প্রতিদান প্রত্যাশায় নয়,

মহান প্রতিপালকের সন্তুষ্টির জন্য

দোহা ৯৩ এতিমের প্রতি রুঢ় হয়োনা-
দোহা ৯৩ ১০ সাহায্য প্রার্থীকে ভর্ৎসনা করোনা-
দোহা ৯৩ ১১ তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহের কথা জানিয়ে দাও-
ইনশিরাহ ৯৪ অবসরে – (ইবাদতে)পরিশ্রম করো-
ইনশিরাহ ৯৪ তোমার প্রতিপালকের প্রতি মনোনিবেশ করো-
বাইয়েনাহ ৯৮ তোমার প্রতিপালককে ভয় করো-
আদিয়াত ১০০ তোমার প্রতিপালকের প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়োনা-
আদিয়াত ১০০ সম্পদের লালসায় উন্মত্ত হয়োনা-
তাকাসুর ১০২ ১-৩ প্রাচুর্য্যের প্রতিযোগীতায় মোহাচ্ছন্ন হয়োনা-
আছর ১০৩ পরস্পরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দাও-
হুমাযাহ ১০৪ লোকের নিন্দা করোনা-পশ্চাতে ও সম্মুখে-
হুমাযাহ ১০৪ অর্থ লালসা নিন্দনীয় এবং দুর্ভাগ্যের ব্যাপার-
হুমাযাহ ১০৪ অর্থ অমরত্ব দান করবেনা-
 

মাউন

 

১০৭

 

৪-৬

 

সালাত সম্বন্ধে উদাসীন হয়োনা- এবং লোক দেখানোর জন্য করোনা-

মাউন ১০৭ গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় ছোটখাট সাহায্য দানে বিরত থেকোনা-
কাউসার ১০৮ তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর এবং কোরবানী করো-

 

মহান আল্লাহ সত্য বলেছেন

এবং সম্মানিত নবীও (সাঃ) সত্য বলেছেন

 

মহান আল্লাহ আমাদের কোরআন বুঝার এবং আমল করার তওফীক দিন

আমীন।।

 

 

 

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.