আযানের আগে-প্রে সালাম

আযানের আগে-পরে সালাম দেওয়া সুন্নত না বিদায়াত?

সম্প্রতি বাংলাদেশের কতিপয় অঞ্চলে বিশেষ করে চট্টগ্রামের কয়েকটি এলাকায় মসজিদে আযানের আগে ও পরে “আচ্ছালাতু আচ্ছালামু আলাইকা ইয়া রাসূলুল্লাহ…………………।ওয়া আলা আলিকা ওয়া আসহাবীকা ইয়া রাসূলুল্লাহ………।।ইত্যাদি যোগ করে আযান দেওয়া হচ্ছে।

জানা যাক, কোরআন-হাদীস বিশেষজ্ঞ রা কি বলেনঃ

আযানের আগে বা পরে জিকির করা আযানের অংশ মনে করে করা বেদআত। আক্বিদা ঠিক রেখে এমনিতে কখনো সখনো করলে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু একে অভ্যাসে পরিণত করা বৈধ নয়। কারণ আযানের আগে বা পরে আল্লাহু আকবার বলে জিকির করার কথা কোন হাদিস বা সাহাবায়ে কিরাম এবং সালাফে সালেহীন কারো থেকে প্রমাণিত নয়। তাই একে অভ্যাসে পরিণত করে করাটা সুষ্পষ্ট বিদআত হবে। সুতরাং তা পরিত্যাজ্য। মানুষকে সজাগ সচেতন করার ইচ্ছে হলে আজানইতো যথেষ্ট। কারণ আযানই হল ই’লান বা ঘোষণা যে, নামাযের সময় হয়ে গেছে। সুতরাং এখানে নতুন করে কিছু বাড়ানোর তো কোন দরকার নেই। তদ্রুপ সালাত ও সালাম।
মানুষ যখন চাইবে ইখলাসের সাথে নাম সুনামের উদ্দেশ্য ব্যতীরেকে দরূদ শরীফ পড়তে পারবে। কিন্তু আমাদের এ যুগে কোনো কোনো জায়গায় যেভাবে আযানের আগে পরে উচ্চ আওয়াজে সালাত ও সালাম পড়ার প্রথা হয়ে গেছে এবং যে ভাবে একে ফরয ওয়াজিবের মত আবশ্যক মনে করা হচ্ছে, এটা দরূদ পাঠ নয়; বরং দরূদ প্রদর্শনী। কুরআন হাদিস বা সাহাবা এবং তাবেয়ীদের মুবারক যুগে এর কোনো উল্লেখ পাওয়া যায়না।
যে আমলটি সাহেবে শরীয়ত তথা নবীজি আলাইহিস-সালাম থেকে কোনো ভাবে প্রমাণিত নয় কিংবা স্বীকৃত তিন সোনালি যুগ দ্বারা অনুমোদিত নয়, সেটি যতই সুন্দর হউক; ইসলামে তা গ্রহণযোগ্য হবেনা। এর অনেক দৃষ্টান্ত সাহাবায়ে কেরামদের আসার (নীতি অাদর্শ) দ্বারা প্রমাণিত আছে।
যাইহোক, উপরুল্লিখিত তথ্য দ্বারা আমাদের জানা হয়ে গেল যে, আযানের পূর্বে বা পরে সালাত ওয়া সালাম পড়ার প্রচলিত প্রথা নবীজির যুগে ছিল না, সাহাবিদের যুগে ছিলনা; তাবেঈন ও তাবে-তাবেঈন এবং আয়িম্মায়ে মুজতাহিদীন উনাদের কারো যুগে ছিল না। বরং হিজরী সপ্তম শতকের গোড়ার দিকে এসব নতুন রূপে ইসলামের নামে উদ্ভাবন করা হয়েছে। তাও আবার কোনো গ্রহণযোগ্য মুজতাহিদের ইজতিহাদের ভিত্তিতে নয়, বরং সমসাময়িককালের কতিপয় রাজা-বাদশাহদের নির্দেশে দরবারী মৌলভীদের মাধ্যমে এসবের গোড়াপত্তন হয়। কাজেই এ পদ্ধতি বিদয়াত ও নিন্দিত। তাই এসব থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।

হাদীসে এসেছে … ﻛﻠﻬﻢ ﻓﻲ ﺍﻟﻨﺎﺭ ﺍﻻ
ﻣﻠﺔ ﻭﺍﺣﺪﺓ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻣﻦ ﻫﻲ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ ﻣﺎ ﺍﻧﺎ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺍﺻﺤﺎﺑﻲ
অর্থাৎ যে বা যারা আমি এবং আমার সাহাবাগণের পথ ও পন্থায় রয়েছে (তারাই একমাত্র মুক্তিপ্রাপ্ত দল)।
{তিরমিযি ২/৮৯, মেশকাত ১/৩০}।
হাদীস শরীফে আযানের জবাব দেওয়া, আযান শেষে দরূদ পড়া, এরপর দুআ পড়া-এই তিনটি আমলের কথা উল্লেখ আছে। এগুলো ব্যক্তিগত আমল। মুয়াযযিনও আযান শেষ করে দরূদ ও দুআ পড়বে। তবে একাকী ও নিম্নস্বরে। উচ্চস্বরেও নয়, মাইকেও নয়।
হাদীস ও মুতাওয়ারাছ সুন্নাহ অনুযায়ী আমল ত্যাগ করে এই নবউদ্ভাবিত পদ্ধতি গ্রহণ করা ভুল। এটা বিদআতের শামিল। আযান হল ইসলামের শিআর ও নিদর্শন। আর শিআর ও নিদর্শনের মাঝে পরিবর্তন-পরিবর্ধন অত্যন্ত গর্হিত বিষয়।
বিদআত ও এর পরিণতি
বিদা’ত শব্দের আভিধানিক অর্থ হল,কোন বস্তুকে আবিস্কার করা বা তৈরি করা।শরীয়তের পরিভাষায় বিদা’ত শব্দের অর্থ হল দ্বীনের মধ্যে সওয়াব অর্জনের উদ্দেশে এমন কোন বস্তুকে সৃষ্টি করা,যার কোন ভিত্তি সুন্নাহে পাওয়া যায় না।

জাবের(রাযিঃ) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ
হামদ ও সানা তথা আল্লাহর প্রশংসার পরে মনে রাখবে,সর্বোত্তম কথা হল আল্লাহর কিতাব,আর সর্বোত্তম নিয়ম পদ্ধতি হল মুহাম্মাদ (সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম) এর নিয়ম পদ্ধতি।আর সবচেয়ে খারাপ কাজ হল,দ্বীনে নতুন কথা আবিস্কার করা।আর প্রত্যেক বিদা’ত গুমরাহী।
(মুসলিম,কিতাবুল জুমুআহ,হাদিস-৮৬৭)

ইরবায ইবনু সারিয়া(রাযিঃ) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ
দ্বীনে নব আবিষ্কৃত বিষয়াদি থেকে বাঁচ,কেননা প্রত্তেক বিদা’ত গুমরাহী।
(ইবনু মাজাহ,১ম খণ্ড,হাদিস-৪০,সহিহ)
সকল বিদা’ত সম্পূর্ণরূপে গোমরাহী।বিদাআতে হাসানাহ(উত্তম/ভাল বিদাত)বা বিদআত সাইয়িআহ(মন্দ বিদাত) এর নামে বিদা’তের বিভক্তি সুন্নাহ বিরোধী।
আব্দুল্লাহ ইবনু উমর বলেন,সকল বিদা’ত গোমরাহী,যদিও বা লোকজন তাকে আপাতদৃষ্টিতে ভাল মনে করে।
(দারিমী,কিতাবুল আসমা ফি জাম্মিল ইবতিদা’,পৃষ্ঠা-১৭)

১.বিদা’তিকে সহযোগিতাকারীর উপর আল্লাহর অভিশাপঃ

আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ
আল্লাহ অভিশাপ করেছেন সেই ব্যাক্তি যে আল্লাহ ব্যতিত অন্য কারো নামে জবাই করে,আর যে জমির সীমা চুরি করে,আর যে মাতা পিতাকে অভিশাপ দেয়,আর যে বিদা’তিকে আশ্রয় দেয়।
(মুসলিম,কিতাবুল আযাহী,হাদিস-১৯৭৮)

২.বিদা’তি আমল আল্লাহর কাছে অগ্রহণযোগ্যঃ

আয়েশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত,রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ
যে ব্যাক্তি এমন কাজ করল যা দ্বীনে নেই,সেই কাজটি আল্লাহর কাছে পরিত্যাজ্য।
(বুখারি ও মুসলিম,আলল’লুউ ওয়াল মারজান,২য় খণ্ড,হাদিস-১১২০)

৩.বিদা’তির তাওবা গ্রহণযোগ্য হবে না,যতক্ষণ না সে বিদা’ত সম্পূর্ণ ছেড়ে দেয়ঃ

আনাস ইবনু মালেক(রাযিঃ) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ
আল্লাহ তা’আলা বিদা’তিদের তাওবা গ্রহন করেন না ততক্ষন পর্যন্ত যতক্ষণ না সে বিদা’ত থেকে সম্পূর্ণ তওবা করে।(তারবানী,সহীহুত তারগীব ওয়াততারহীব,১ম খণ্ড,হাদিস-৫২)

৪.রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম) এর অসন্তুস্টির কারণঃ
রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম) কিয়ামতের দিন বিদা’তি লোকদের প্রতি বেশি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবেন।

সাহাল ইবনু সাআদ(রাযিঃ) হতে বর্ণিত,রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ
আমি হাউজে কাওসারে তোমাদের অপেক্ষাই থাকব।যে ব্যাক্তি সেখানে আসবে সে পানি পান করবে।আর যে ব্যাক্তি একবার পান করবে সে আর তৃষ্ণার্ত হবে না।কিছু লোক এমন আসবে জাদের আমি চিনি এবং তারাও আমাকে চিনবে।আমি মনে করব,তারা আমার উম্মাত।তারপর তাদেরকে আমার কাছ পর্যন্ত পৌছতে দেওয়া হবে না।আমি বলবোঃএরা তো আমার উম্মত।আমাকে বলা হবেঃহে মুহাম্মাদ,আপনি জানেন না, আপনি দুনিয়া থেকে ছলে আসার পর এসব লোকেরা কেমন বিদা’ত সৃষ্টি করেছে।তারপর আমি বলবোঃতাহলে দূর হোক,দূর হোক সে সকল লোকেরা যারা আমার পর দ্বীন পরিবর্তন করেছে।
(বুখারি ও মুসলিম,আলল’লুউ ওয়াল মারজান,২য় খণ্ড,হাদিস-১৪৭৬)

৫.আল্লাহ,ফেরেশতা ও লোকসকলের অভিশাপঃ

আসেম(রাযিঃ) হতে বর্ণিত,আনাস(রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করা হল, রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম) কি মদিনাকে হেরেম আখ্যা দিয়েছেন?তিনি বললেনঃ হা অমুক স্থান থেকে অমুক স্থান পর্যন্ত।এ স্থানের গাছ কাটা যাবে না। রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ
যে ব্যাক্তি এখানে কোন বিদা’ত সৃষ্টি করবে তার উপর আল্লাহ,ফেরেস্তাসমূহ ও লোকসকলের অভিশাপ হবে।
(বুখারি ও মুসলিম,আলল’লুউ ওয়াল মারজান,২য় খণ্ড,হাদিস-৮৬৫)

৬.বিদা’ত প্রলচলনকারীর গুনাহের ভাগ পাওয়াঃ

কাসীর ইবনু আবিদল্লাহ (রাহঃ) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ
যে ব্যাক্তি আমার সুন্নাহ থেকে কোন একটি সুন্নাহ কে জীবিত করেছে আর অন্য লোকেরা সে অনুযায়ী আমল করেছে,তাকে সব আমলকারীর সমান সওয়াব দেওয়া হবে।আবার তাদেরকে ও কম দেওয়া হবে না।আর যে বিদা’ত চালু করেছে ও লোকেরা সে অনুযায়ী আমল করেছে,তাকে সব আমলকারীর সমান পাপ দেওয়া হবে।আবার তাদের পাপে কম করা হবে না।
(ইবনু মাজাহ,১ম খণ্ড,হাদিস-১৭৩,সহিহ)

আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ
যে ব্যাক্তি লোকজনকে হেদায়াতের দিকে আহবান করবে, তাকে সে হিদায়াত মতে আমলকারী সকল লোকের সমান সওয়াব দেওয়া হবে।আর লোকজনের সওয়াবে কোন কম করা হবে না।এমনিভাবে যে লোকজনকে গোমরাহীর দিকে ডাকবে,তাকে সে গোমরাহী মতে আমলকারীর সমান পাপ দেওয়া হবে।আবার তাদের পাপ ও কম করা হবে না।
(মুসলিম,কিতাবুল ইলম)

৭. সুন্নাহ হতে বঞ্চিতঃ
হাসসান ইবনু আতিয়্যাহ বলেনঃ যে ব্যাক্তি দ্বীনে কোন বিদা’ত যতটুকু গ্রহন করবে,আল্লাহ তা’আলা তার থেকে ততটুকু সুন্নাহ উঠিয়ে নেন।তারপর কিয়ামত পর্যন্ত তাদের মধ্যে সে সুন্নাত ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।
(দারিমী-সহিহ,মিসকাত,হাদিস-১৮৮,সহিহ)

৮.শয়তানের প্রিয় হওয়াঃ
সুফিয়ান সাওরী (রাযিঃ) বলেনঃ
শয়তান পাপের পরিবর্তে বিদাতকে বেশী পছন্দ করে।কারণ পাপ থেকে তো লোকেরা তাওবা করে নেয়,কিন্তু বিদা’ত থেকে তওবা করে না।
বিঃদ্রঃবিদা’তি তো সওয়াব অর্জনের উদ্দেশে বিদা’ত করে।কেও কি কোন আমলের জন্য তওবা করে?

৯.ফিতনা ও কষ্টদায়ক শাস্তিঃ
ইমাম মালেক(রাহঃ) থেকে জিজ্ঞাসা করা হল,হে আবু আব্দিল্লাহ,এহরাম কোথা হতে বাধব?উত্তরে তিনি বললেন,আমি মসজিদে নববী তথা কবরের কাছ থেকে এহরাম বাধতে চাই। ইমাম মালেক(রাহঃ) বললেনঃএমন কর না,আমার ভয় হয় তুমি ফেতনায় পতিত হবে।লোকটি বললঃএখানে ফেতনার কি আছে?আমি তো শুধু কয়েক মাইল পূর্বে এহরাম বাধতে চাইছি।ইমাম মালেক(রাহঃ) বললেনঃএর চেয়ে বড় ফিতনা আর কি হবে যে,তুমি মনে করছ যে,এহরাম বাধার সওয়াবে রাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আগে বেড়ে যাচ্ছ।আমি আল্লাহ তা’আলা কে
বলতে শুনেছি,যারা আল্লাহর রাসুল(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম) এর আদেশ অমান্য করে তাদের ভয় থাকা উচিত যেন,তারা কোন ফিতনা বা কষ্টদায়ক শাস্তিতে পতিত না হয়।
(আল ইতিছাম,আলকাউলুল আসমা ফি যাম্মিল ইবতিকা,পৃষ্ঠা-২১,২২)

১০.নেক আমল গ্রহণযোগ্য না হওয়াঃ
ফুযায়িল ইবনু আয়ায (রাযিঃ) বলেনঃ
যখন তোমরা বিদাত পন্থী কোন লোক আসতে দেখবে তখন সে রাস্তা ছেড়ে অন্য রাস্তা গ্রহন কর।বিদা’তির কোন আমল আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।যে ব্যাক্তি বিদা’তিকে সাহায্য করল,সে যেন দ্বীন ধ্বংস করতে সাহায্য করল।
(খাছায়িছু আহলেসুন্নাহ,পৃষ্ঠা-২২)

প্রিয় পাঠকগণ সতর্ক হন নিজ আমলের ক্ষেত্রে।যাচাই বাছাই করে দেখুন আপনার আমলরাসুলুল্লাহ(সাল্লাহুয়ালিহি ওয়াসাল্লাম) এর আমলের সাদৃশ্য কিনা।

“ওহে যারা ঈমান এনেছ! আল্লাহ্কে মেনে চলো ও রসূলের আজ্ঞা পালন করো, আর তোমাদেরক্রিয়াকর্ম বিফল করো না।” -(সুরা মুহাম্মাদ-৩৩)
আল্লাহ আমাদের বি’দাত হতে বাঁচার তাওফিক দেও। আমীন।

মূলঃ ইত্তেবায়ে সুন্নাহ।
http://islamsfans.blogspot.com/2013/12/blog-post_25.html

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.